টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) বিদ্যুৎ বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৫ জুলাই ২০২০

চেয়ারম্যান

মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, অতিরিক্ত-সচিব

 

স্রেডা ওয়েবসাইটে আপনাদের সকলকে স্বাগতম। বাংলাদেশের প্রাথমিক জ্বালানি সম্পদ যেমন: প্রাকৃতিক গ্যাস দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে এবং আমাদের দীর্ঘ-মেয়াদী জ্বালানি নিরাপত্তা এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বিকল্প জ্বালানি উৎসের পূর্ণ সম্ভাবনা অনুসন্ধান এবং কাজে লাগানোর সময় এসেছে। এই গুরুত্ব অনুধাবন করে বাংলাদেশ সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং জ্বালানি দক্ষতা ও সংরক্ষণের উপর যথাযথ গুরুত্বারোপ করেছে। জ্বালানি সংরক্ষণের সকল দিক সহ দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির উন্নয়ন সহজতর, নিয়ন্ত্রণ এবং উন্নত করতে টেকসই এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১২ পাস করে।

 

সীমিত সাংগঠনিক ক্ষমতা নিয়ে ২২ মে ২০১৪ তারিখে স্রেডা এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে এবং পূর্ণরুপে কার্যকর হয়। আমাদের আশা উচ্চ এবং টেকসই জ্বালানি উন্নয়নে আমাদের এই অভিপ্রায়ে আমরা আমাদের পূর্ণ প্রচেষ্টা নিয়োগ করতে সদা  প্রস্তুত। অনেক কর্মসূচী এবং উদ্যোগ চলছে এই সকল লক্ষ্য পূরণে। তবে এই মুহুর্তে আমাদের অগ্রাধিকার দিতে হবে স্রেডা-এর প্রতি যাতে এটি একটি ভাল সাংগঠনিক রুপ পায় এবং এতে কিছু মেধাবী লোকজন গড়ে তুলতে হবে যারা স্রেডা এর উদ্দেশ্যাবলী অর্জনে নিবেদিত, প্রণোদিত এবং উদ্ভাবনশীল হয়।  

 

সরকার ইতোমধ্যে দেশে ‘৫০০ মে.ওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্মসূচী’ গ্রহন করেছে এবং এটিকে সফল করার জন্য স্রেডা নিবেদিতভাবে কাজ করছে। দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনা অন্বেষণ এবং কাজে লাগানোর পথে রয়েছি আমরা। যেকোনো নব-উদ্ভাবনী ধারণা কিংবা সময়োচিত ব্যবসায়িক মডেলের জন্য আমাদের দরজা সর্বদা খোলা রয়েছে, যা লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে আশা করা যায়। দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও জ্বালানি দক্ষতার বিষয় নিয়ে যারা কাজ করতে চান তাদের জন্য স্রেডা একটি তথ্য ভাণ্ডার হিসেবে কাজ করতে চায়, যেখানে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সর্বশেষ উন্নয়ন এবং জ্বালানি দক্ষতা সম্পর্কিত সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে সহজে জানতে পারবে। 

 

আমাদের লক্ষ্য হলো ২০২১ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে মোট ২০০০ মেগা ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন, যা সেই সময়ের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ১০% এর সমপরিমান হবে। আমরা ২০১৩ সালের তুলনায় ২০৩০ সালে ২০% এর অধিক জ্বালানি দক্ষতা বাড়াতে চাই, যা এই সময়ের মধ্যে ৯৫ মিলিয়ন টনঅয়েল সমতুল্য জ্বালানি সাশ্রয় করবে বলে আশা করা হচ্ছে। জ্বালানি সাশ্রয় হবে মোট ৯৬৮ বিলিয়ন কিংবা বর্তমান গড় প্রাকৃতিক দামে বার্ষিক গড়ে ৫১ বিলিয়ন টাকা।

 

আমাদের লক্ষ্য অনেক বড়, তবে তা অর্জনযোগ্য যদি আপনাদের সকলকে একই প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসতে পারি এবং মিলিতভাবে কাজ করতে পারি। আমাদের সাথে হাতে হাত রাখুন এবং সবুজ ও পরিবেশবান্ধব ভবিষ্যৎ গড়তে কাজ করুন।


Share with :

Facebook Facebook